কোরআন ও সহীহ সুন্নাহ ভিত্তিক বার্তা প্রচার করাই হল এই ওয়েবসাইটের মূল উদ্দেশ্য।।

যিলহজ্জ মাস শুরু হলে যে ব্যক্তি কুরবানি করতে চায় তার জন্য কুরবানী হওয়া পর্যন্ত চুল, নখ ইত্যাদি কাটা হারাম

যিলহজ্জ মাস শুরু হলে যে ব্যক্তি কুরবানি করতে চায় তার জন্য শরীরের অতিরিক্ত পশম (যেমন, মাথার চুল, নাভির নিচের বা বগলের পশম ইত্যাদি) কাটা জায়েজ নাই। কারণ, উম্মে সালামা রা. হতে বর্ণিত। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
((إذا دخل شهر ذي الحجة وأراد أن يضحي فلا يأخذ من شعره ولا من أظفاره شيئاً))
“যিলহজ্জ মাস শুরু হলে যে ব্যক্তি কুরবানি করতে চায় সে যেন তার চুল ও নখ না কাটে।” (সহীহ মুসলিম, অধ্যায়: কুরবানি, অনুচ্ছেদ: যিলহজ্জ মাস শুরু হলে যে ব্যক্তি কুরবানি করবে তার জন্য চুল ও নখ কাটা নিষেধ।)
অন্য বর্ণনায় রয়েছে: ((ولا من بشرته شيئاً) “শরীরের চামড়া যেন না কাটে।” (সহীহ মুসলিম)

🌀 এ সংক্রান্ত কতিপয় মাসায়েল:

ইবনে কুদামা রহ. বলেন: নিষেধাজ্ঞার দাবী হলো হারাম হওয়া। অর্থাৎ যে কুরবানী করতে চায় তার জন্য কুরবানীর পশু জবেহ করা পর্যন্ত নখ-চুল, শরীরের অতিরিক্ত চামড়া ইত্যাদি কাটা হারাম।
এ বিধান যে ব্যক্তি কুরবানি করবে কেবল তার জন্য প্রযোজ্য। যাদের পক্ষ থেকে কুরবানি করা হবে যেমন, স্ত্রী, সন্তান বা পরিবারের অন্য সদস্যগণের জন্য অথবা যারা কুরবানি করবে না তাদের নখ-চুল ইত্যাদি কাটাতে কোন অসুবিধা নাই।
যিলহজ্জ মাসের চাঁদ দেখা থেকে শুরু করে কুরবানির পশু জবেহ করা পর্যন্ত চুল-নখ কাটা যাবে না। কুরবানি করার পর তা কাটা যাবে।
কোন ব্যক্তি ভুল বশত: নখ, চুল ইত্যাদি কেটে ফললে তার জন্য কাফফারা নেই। তবে এ জন্য তওবা করতে হবে।
এ দিনগুলোতে নতুন জামা কাপড়, আতর-সুগন্ধি মাখা ও স্ত্রী সহবাসে লিপ্ত হওয়ায় কোন অসুবিধা নাই।
▬▬▬▬❖🌀❖▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
(লিসান্স, মদিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়)
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সউদী আরব।।

Share This Post