মুসলিমদের অন্যতম একটা দিক থাকবে বিনয়ি হওয়া

আজকাল আমাদের সাহিহ আকিদার কিছু ভাইদের আচার আচরন কিংবা কথাবার্তায় অথবা ফেসবুকের স্টাটাসের ভাষায় এত রুক্ষতা চোখে পড়ে যা দেখলে যেমন লজ্জা লাগে তেমনি খারাপ লাগে।মুসলিমদের অন্যতম একটা  দিক থাকবে বিনয়ি হওয়া।তিরমিযির একটা সাহিহ হাদিসে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইংগিত দিয়েছেন যে, দুইটি আমল সবচেয়ে বেশি মানুষজনকে জান্নাতে নিয়ে যাবে। ১,তাক্বাওল্লাহ ২,হুসনুল খুলুক আল্লাহ ভিরুতা …

Read more

Share:

ইসলাম অর্থ কি? মুসলিম কাকে বলে?

বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম “ইসলাম” আরবী শব্দ যার অর্থ “আনুগত্ত করা বা আত্মসমর্পন করা”। আর শান্তির আরবী শব্দ হচ্ছে ‘সালাম’। আরবী ভাষার বিখ্যাত ও সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অভিধান ‘ইবনে মানজুর’ রচিত ‘লিসানুল আরব’ এ বলা হয়েছে, ইসলাম শব্দটি ‘ইসতিসলাম’ ( ﺍﺳﺘﺴﻼﻣﺎ) শব্দ থেকে নেয়া হয়েছে যার অর্থ হচ্ছে কারো কাছে নত হওয়া, আত্মসমর্পণ করা। : আমাদের অনেকেই …

Read more

Share:

আকিদাহ ও শারিয়াহ এর কিছু কারণ যা ইসলামের পুনর্জাগরনের বিজয়ের পথে বিরাট বাধা

ইনশাআল্লাহ আমরা আকিদাহ ও শারিয়াহ এর কিছু কারণ আলোচনা করব যা, চিহ্নিত করতে ব্যর্থতা ও পালন করার ব্যার্থতার করনে ইসলামের পথে আমাদের নিজেদের চলা এক বিরাট বাধার সম্মুখিন। সর্বাপরি ইসলামের পুনর্জাগরনের বিজয়ের পথে বিরাট বাধা। কারণগুলি নিম্নরুপ: ১। শিরককে চিনতে না পারার ব্যর্থতা। ২। হারাম ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান; ইহা বুঝতে না পারার ব্যর্থতা। …

Read more

Share:

কোন কিছু কিছুই নিজের মন মত ব্যাখ্যা করবেন না, যদি করেন তবে জাহান্নামের জন্য প্রস্তুত হন

সাবধান !!!! সাবধান !!! কোন কিছু কিছুই নিজের মন মত ব্যাখ্যা করবেন না…যদি করেন তবে জাহান্নামের জন্য প্রস্তুত হন…। সহীহ আকীদার ক্ষেত্রে যে সব বিষয়ে মানুষের ভুল ধারণা, →সেগুলো কুরআন ও হাদিস দ্বারা পেশ করা হলঃ →1. অনেকে আকীদা পোষণ করে যে আল্লাহ সুবহানুতায়ালা সব জায়গায় বিরাজমান, আসলে কোথায়?মহান আল্লাহ্ সপ্ত আসমানের উপরআরশে আজিমে সমাসীন, …

Read more

Share:

তাওহীদের মৌলিক উপাদান (রুকন) তথা ﻻ ﺇﻟﻪ ﺇﻻ ﻟﻠﻪ ‘র মৌলিক উপাদান

রুকন হচ্ছে এমন বিষয়, যার অনুপস্থিতিতে অন্য একটি বিষয়ের অনুপস্থিতি অপরিহার্য হয়ে উঠে। রুকন অবশ্যই মূল বিষয়টির অন্তর্গত হওয়া চাই। যেহেতু রুকন কোন জিনিসের আভ্যন্তরীণ বা ভেতরের বিষয়, সেহেতু শুদ্ধ হওয়ার বিষয়টি এর উপর নির্ভরশীল। অতএব কোন জিনিসের রুকন ব্যতীত তা সহীহ বা শুদ্ধ হয় না। রুকন কি জিনিস, এটা জানার পর আপনাকে অবশ্যই জানতে …

Read more

Share:

আমার বাবা মা রাজি হয় না, এখন আমার পছন্দের ছেলেকে কি বিয়ে করতে পারব পরিবারের অনুমতি ছাড়া??

উত্তর-বিয়ের আকদ (চুক্তি) করানোর দায়িত্ব মেয়ের অভিভাবককে পালন করতে হবে। যেহেতু আল্লাহ তাআলা বিয়ে দেয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি নির্দেশনা জারী করেছেন। কুরান থেকে দলিল- আল্লাহ তাআলা বলেন: “আর তোমরা তোমাদের মধ্যে অবিবাহিত নারী-পুরুষদের বিবাহ দাও।”[সূরা নুর, ২৪:৩২] হাদিস থেকে দলিল – ১-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে নারী তার অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিয়ে করবে …

Read more

Share:

বিবাহের পর স্ত্রীর জন্য শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, না নিজ পিতা-মাতার সেবা করা অধিক জরূরী? এছাড়া স্বামী এবং নিজ পিতা-মাতার আদেশ-নিষেধের মাঝে বৈপরীত্য দেখা দিলে কার আদেশ-নিষেধ অগ্রাধিকার পাবে?

প্রশ্নঃবিবাহের পর স্ত্রীর জন্য শ্বশুর-শ্বাশুড়ি, না নিজ পিতা-মাতার সেবা করা অধিক জরূরী? এছাড়া স্বামী এবং নিজ পিতা-মাতার আদেশ-নিষেধের মাঝে বৈপরীত্য দেখা দিলে কার আদেশ-নিষেধ অগ্রাধিকার পাবে? —- উত্তরঃ-প্রত্যেক সন্তানের জন্য তার পিতা-মাতার সেবাযত্ন করাই সর্বাগ্রে জরূরী (ইসরা ১৭/২৩)। স্বামী কর্তৃক স্ত্রীকে তার শ্বশুর-শ্বাশুড়ীর খেদমতে বাধ্য করা উচিৎ নয়। তবে অবশ্যই তাদের সাথে সদাচরণ করা কর্তব্য। …

Read more

Share:

কোন কোন্ অঙ্গ দেখানো চলবে?

উত্তর : স্বামী-স্ত্রীর মাঝে কোন পর্দা নেই উভয়েই এক অপরের পোশাক।[1] উভয়েই উভয়ের সর্বাঙ্গ দেখতে পারে। তবে সর্বদা নগ্ন পোশাকে থাকা উচিৎ নয়।[2] মা-বেটার মাঝে পর্দা ও গোপনীয় কেবল নাভি হতে হাঁটু পর্যন্ত। অন্যান্য নিকটাত্মীয়; যাদের সাথে চিরকালের জন্য বিবাহ হারাম তাদের সামনে পর্দা ও গোপনীয় হল গলা থেকে হাঁটু পর্যন্ত।[3] অবশ্য কোন চরিত্রহীন এগানা …

Read more

Share:

স্ত্রীর হক আদায় না করে তাকে আটকে রাখা প্রসঙ্গে

প্রশ্ন : আমাদের এলাকায় এক ব্যক্তি দু’টি বিবাহ করেছেন। তিনি প্রথম স্ত্রীকে তার বাপের বাড়ীতে পাঠিয়ে দিয়েছেন। তিনি তার সেই প্রথম স্ত্রীকে ভরণ-পোষণ প্রদান করেন না। তার সাথে কোন সম্পর্কও রাখেন না। আবার তাকে একেবারে বিদায়ও করছেন না। এমতাবস্হায় সেই মহিলাটি প্রায় আট বৎসর যাবত তার বাপের বাড়ীতে দুঃখ-কষ্ট করে জীবনযাপন করছে। অন্যকোন জায়গায় বিবাহ …

Read more

Share:

রিজিক এবং বিবাহ কি লাওহে মাহফুজে লিখিত আছে?

উত্তর :-আল্লাহ তাআ’লা যেদিন কলম সৃষ্টি করেছেন, সেদিন থেকে কিয়ামত পর্যন্ত যত মাখলুকাত সৃষ্টি হবে, সবই লাওহে মাহফূজে লিপিবদ্ধ আছে। আল্লাহ তাআ’লা কলম সৃষ্টি করে বললেন, লিখ। কলম বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি কি লিখব? আল্লাহ তাআ’লা বললেন, কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু হবে সব লিখে ফেল। সে সময় কিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু পৃথিবীর বুকে সংঘটিত …

Read more

Share: